1. theprovatibarta@gmail.com : admin : Abu Taher Prince
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
বঙ্গবন্ধু-কন্যাকে নিয়ে টুকরো স্মৃতি করোনায় আক্রান্ত এমপি বাবু উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে সুযোগ করে দেয়া আহ্বান পুতুলের কয়রা-পাইকগাছাবাসীকে এমপি বাবু’র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা কমমূল্যে পাওয়া যাবে করোনার ভ্যাকসিন ইদ-উল-আযহা উপলক্ষেএতিম শিশুদের মাঝে জেলা প্রশাসন খুলনার উদ্যোগে গরু-ছাগল বিতরণ এমপি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ করোনায় আক্রান্ত ফের শারিরিক অবস্থার ফের অবনতি ডা. জাফরুল্লা’র করোনায় জীবনরক্ষাকারী প্রথম ওষুধ পাওয়া গেছে কবি প্রণতি। রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্পে প্রকৃতি ও মানব জীবন কয়রায় করোনায় বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে এম আলিউজ্জামান তায়জুল ভোর রাতে রোজাদারদের মাঝে স্বপ্নযাত্রীর সাহরী বিতরণ জমিজমা বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত করোনায় আক্রান্তদের জন্য তৃতীয় বারের মত বাংলাদেশকে সহযোগিতা ভারতের মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে বিপর্যস্ত মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসুন: সাংসদ বাবু খুলনা জেলা প্রশাসনের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে শাক-সবজি, দুধ, ডিম কেনা যাবে করোনা সন্দেহে আইসিউতে ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন সপ্তম বছরের মত অসহায় কৃষকের ধান কাটছে স্বপ্নদেখো!! নাইকো মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতে জয় পেল বাংলাদেশ
add

করোনাভাইরাস: যে নারী প্রথম এই ভাইরাস আবিষ্কার করেছিলেন

  • বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে
অন্টারিও ক্যান্সার ইন্সটিটিউটে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ নিয়ে কাজ করছেন জুন আলমেইডা

ডেস্ক রিপোট

মানব শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব যে নারী প্রথমবার আবিষ্কার করেছিলেন, তিনি ছিলেন স্কটল্যান্ডের একজন বাসচালকের কন্যা, যিনি ১৬ বছর বয়সে স্কুল ছেড়েছিলেন।

জুন আলমেইডা ভাইরাস ইমেজিংয়ের একজন অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, যার কাজ এখন আবার এই ভাইরাস মহামারির সময় কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

কোভিড-১৯ একটি নতুন ধরণের ভাইরাস, তবে সেটি করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতি। ১৯৬৪ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালের গবেষণাগারে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছিলেন ড. আলমেইডা। ১৯৩০ সালে জুন হার্টে জন্মগ্রহণ করেন এই ভাইরোলজিস্ট এবং গ্লাসগোর আলেজান্দ্রা পার্কের কাছাকাছি টেনেমেন্ট এলাকায় বড় হয়ে ওঠেন।

আনুষ্ঠানিক বিদ্যার ক্ষেত্রে তিনি সামান্য পড়াশোনা করেই স্কুল ছাড়েন। তবে গ্লাসগো রয়্যাল ইনফার্মারিতে হিস্টোপ্যাথলজিতে গবেষণাগার কর্মী হিসাবে তিনি কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি পেশা জীবনের উন্নতি করার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান। ১৯৫৪ সালে তিনি এনরিক আলমেইডাকে বিয়ে করেন, যিনি ছিলেন একজন ভেনেজুয়েলান শিল্পী।

সাধারণ ঠাণ্ডা গবেষণা

চিকিৎসা বিষয়ক লেখক জর্জ উইন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এই দম্পতি ও তাদের মেয়ে কানাডার টরেন্টোতে পাড়ি জমান। সেখানে অন্টারিও ক্যান্সার ইন্সটিটিউটে ড. আলমেইডা একটি ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ নিয়ে তার অসামান্য দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তিনি এমন একটি পদ্ধতির সূচনা করেছিলেন যা অ্যান্টিবডি সংহত করার মাধ্যমে ভাইরাসগুলি আরও পরিষ্কারভাবে দেখা সম্ভব হয়।

মি. উইন্টার বলেছেন, তার এই প্রতিভার বিষয়টি যুক্তরাজ্যের মনোযোগ কাড়ে। ১৯৬৪ সালে তাকে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে কাজ করার জন্য প্রলুব্ধ করে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে আনা হয়। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার পর এই হাসপাতালেই প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল।ফিরে আসার পর তিনি ডক্টর ডেভিড টাইরেলের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন, যিনি উল্টশ্যায়ারের সালসবিউরিতে সাধারণ ঠাণ্ডা নিয়ে গবেষণা করছিলেন।

মি. উইন্টার বলছেন, ডক্টর টাইরেল স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে অনুনাসিক ধোয়ার ওপর গবেষণা করছিলেন। তাদের দল দেখতে পায় যে, তারা বেশ কয়েকটি সাধারণ সর্দি-কাশির ভাইরাস বৃদ্ধি করতে পারছিলেন, কিন্তু সবগুলো নয়। তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে নজরে আসে। সেটির নাম দেয়া হয়েছিল বি-৮১৪, যা এসেছিল ১৯৬০ সালে সারের একটি বোর্ডিং স্কুলের একজন ছাত্রের কাজ থেকে।

তারা দেখতে পান, তারা সাধারণ সর্দি-কাশির কয়েকটি লক্ষণ স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে তৈরি করতে পারলেও, সেগুলো তাদের নিয়মিত কোষের ভেতরে আর বেড়ে উঠতে পারে না।তবে স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে প্রত্যঙ্গের মধ্যে কিছু বৃদ্ধি দেখিয়েছিল। সেটা দেখে অবাক হয়ে ড. টাইরেল ভাবলেন, এটা কোন বৈদ্যুতিক মাইক্রোস্কোপ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা উচিত।তারা সেসব নমুনা জুন আলমেইডাকে পাঠান, যিনি নমুনার মধ্যে ভাইরাস কণা দেখতে পান। সেগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, এগুলো ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো দেখতে হলেও পুরোপুরি তা নয়। তিনি যা শনাক্ত করেছিলেন, সেটি বিশ্বে করোনাভাইরাস হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

মি. উইন্টার বলছেন, ড. আলমেইডা ইঁদুরের মধ্যে হেপাটাইটিস এবং মুরগির সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস তদন্ত করার সময় এর আগে এ ধরণের কণাগুলি দেখেছিলেন। তা সত্ত্বেও, পিয়ার-রিভিউড জার্নালে পাঠানো তার নথিটি বাতিল করে দেয়া হয়েছিল। কারণ ”রেফারিরা বলেছিলেন, তিনি যেসব ছবি দিয়েছেন, সেগুলো ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কণার বাজে ধরণের চিত্র। ”বি-৮১৪ আবিষ্কারের বিষয়ে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি করোনাভাইরাসের প্রথম যে চিত্র দেখেছিলেন, সেটি প্রকাশিত হয় দুই বছর পরে জেনারেল ভাইরোলজি জার্নালে।

মি. উইন্টারের তথ্য অনুসারে, ড. টাইরেল ও ড. আলমেইডার পাশাপাশি অধ্যাপক টনি ওয়াটারসন, যিনি সেন্ট থমাসের দায়িত্বে ছিলেন, তারা ওই ভাইরাসের নামকরণ করেন করোনাভাইরাস, কারণ ভাইরাসের চারপাশ জুড়ে অনেকটা মুকুটের মতো সাদৃশ্য ছিল। ড. আলমেইডা পরবর্তীতে লন্ডনের পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল স্কুলে কাজ করেন, যেখানে তিনি ডক্টরেট সম্মানে ভূষিত হন। ওয়েলকাম ইন্সটিটিউটে তিনি তার পেশাজীবন শেষ করেন যেখানে বেশ ভাইরাস ইমেজিংয়ের এর ক্ষেত্রে তার নামে বেশ কয়েকটি স্বত্বাধিকার হয়।

ওয়েলকাম ছেড়ে দেয়ার পর ড. আলমেইডা একজন ইয়োগা প্রশিক্ষক হন। তবে পরবর্তীতে ১৯৮০ এর দশকে তিনি এইচআইভি ভাইরাসের ইমেজিং এর ক্ষেত্রে একজন পরামর্শক হিসাবে কাজ করেন। ২০০৭ সালে, ৭৭ বছর বয়সে জুন আলমেইডা মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর তের বছর পরে তিনি তার সেই পথিকৃৎ কাজের জন্য অবশেষে স্বীকৃতি পাচ্ছেন, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি সম্পর্কে বুঝতে সহায়তা করছে।

সুত্র- বিবিসি

add

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
add
© theprovatibarta 2020 All rights reserved. কারিগরি সহায়তা:
Theme Customized By BreakingNews